Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সাধারণ তথ্য

১৯৪৫ সালে ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর যুদ্ধ প্রত্যাগত সৈনিকদের কর্মসংস্থান লাভে সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে তদানিন্তন ভারত সরকার পূর্নবাসন ও কর্মসংস্থান নামে একটি ৫ বছর মেয়াদি প্রকল্প গ্রহণ করে। এ প্রকল্পটি ১৯৫৩ সালের ১ মার্চ জনশক্তি এবং কর্মসংস্থান বিভাগে রুপান্তরিত হয়। ১৯৬৩ সালে এ বিভাগ জনশক্তি ও কর্মসংস্থান শাখা হিসেবে প্রাদেশিক সরকার এর শ্রম পরিদপ্তরের অর্মতভূক্ত হয়। ১৯৭৬ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO)সনদ ৮৮ এর সুপারিশের আলোকে এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংবিধানের ২৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে দেশের জনশক্তি উন্নয়নের প্রতি ব্যাপক দৃষ্টি রেখে সরকার জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) নামে স্বতন্ত্র একটি প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করে। জনশক্তি ব্যুরো’র অধীনে পূর্বে স্থাপিত ঢাকা, রংপুর, সিলেট, খুলনা, নোয়াখালী, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, বরিশাল এবং চট্টগ্রামে ‘চাকরি বিনিয়োগ কেন্দ্র’  (Employment Exchange) এবং নতুন করে পূর্বের বৃহত্তর জেলা কুমিল্লা টাঙ্গাইল, জামালপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, পাবনা বগুড়া, দিনাজপুর, পটুয়াখালী, ফরিদপুর, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস (DEMO)স্থাপন করা হয়। স্বাধীনতাত্তোর চাকরি বিনিয়োগ কেন্দ্র ও জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস’ সমূহের মূল কার্যক্রম ছিল। যথাঃ 

 

  •         চাকরি প্রার্থীদের তালিকাভূক্তি

        চাকরি প্রার্থীদের কর্মে নিয়োগ

        শ্রম বাজার তথ্য সংগ্রহ, নিয়োগ কর্তার সাথে যোগাযোগ এবং প্রার্থী উপস্থাপন

        ছাত্র-ছাত্রীদের পেশাগত নির্দেশনা প্রদান

 

এছাড়াও জনশক্তির সঠিক ব্যবহারের উদ্দেশ্যে শহর ও গ্রামে স্ব-নির্ভর আতম-কর্মসংস্থান কর্মসূচি সহ কর্মসংস্থান সংক্রান্ত নানাবিধ কার্যক্রম।

 

১৯৮০ সাল থেকে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস সমূহে স্থানীয় চাকরি চাহিদা ও তালিকাভূক্তির কার্যক্রম কমতে থাকে। অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যসহ আরব বিশেব তৈল সমৃদ্ধ দেশ সমূহে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত ‘ চাকরি বিনিয়োগ কেন্দ্র ’ গুলোর নাম পরিবর্তন করে ২১টি বৃহত্তর জেলায় জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস নামকরণ করা হয়। বর্তমানে জেলা অফিস গুলো বিদেশ থেকে ফিরে আসা অভিবাসিদের নাম নিবন্ধন ও তথ্যাবলী ডাটাবেজে সংরক্ষণ ও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা, বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ , দেশে ও বিদেশে প্রবাসীদের কল্যাণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত কাজে সহায়তা, প্রবাসীদের পরিবারের পক্ষে সরকারের বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ এবং সেবা প্রাপ্তিতে সহায়তা, বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীদের অভিবাসন সংক্রান্ত তথ্য, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য বিষয়ে পরামর্শ, অভিবাসীদের থেকে প্রাপ্ত অভিযোগ সম্পর্কে অনুসন্ধান ও তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ, বিদেশে মৃত্যুবরণকারী অথবা দূর্ঘটনার শিকার প্রবাসী কর্মীদের মৃতদেহ দেশে আনা/দাফন/সৎকার করা এবং আর্থিক অনুদানের অর্থ বিতরণের সহায়তা, দেশে বিদেশে চাকরির চাহিদা ও বিজ্ঞপ্তি সংক্রান্ত যাবতীয তথ্য সংরক্ষণ ও প্রচার, প্রত্যাগতদের দেশে কর্মসংস্থান লাভ, বিনিয়োগ ও ব্যবসা বাণিজ্যে সহায়তা, বিদেশ গমনেচ্ছু নারী কর্মী এবং প্রবাসী নারী কর্মীদের  প্রতি বিশেষ নজর ও  সার্বিক সহায়তা, আন্তর্জাতিক অভিবাসি দিবস সহ অন্যান্য কর্মসূচী যথাযথভাবে পালন, নিরাপদ অভিবাসনের লক্ষ্যে অভিবাসন সংক্রান্ত  কাজের সাথে সম্পৃক্ত এনজিওদের সমন্বয় এবং প্রচার প্রচারণা জোরদার করণ, বিদেশ গমনেচ্ছু  কর্মীদের অভিবাসন খরচের অর্থায়ন ও বিদেশথেকে স্বল্প খরচে রেমিটেন্স প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক সহ অন্যান্য ব্যাংকিং সেবা লাভে সহায়তা, সরকারীভাবে কর্মী সংগ্রহের ক্ষেত্রে আরোপিত দায়িতব পালন, বিশেষ আদালতে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে প্রসিকিউশন অফিসারের দায়িতব পালন, রিক্রুটিং এজেন্সির কর্মকান্ড সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রেরণসহ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সময় সময় অন্যান্য আদেশ যথাযথভাবে পালন করা। ২০১৪ সালে বিশব মন্দা সত্ত্বেও রেমিটেন্স এসেছে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশের জিডিপির ১৩ শতাংশ এবং বৈদেশিক সাহায্যের ৬ গুন।

 

নিয়ন্ত্রণকারী / প্রশাসনিক দপ্তরঃ

জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো

(Bureau of Manpower Employment and Training ( BMET)

প্রবাসী কল্যাণ ভবন

৭১-৭২ পুরাতন এলিফ্যান্ট রোড,ইস্কাটন,রমনা,ঢাকা

 

বিএমইটি

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রাক্তন জনশক্তি উন্নয়ন ও সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসাবে ১৯৭৬ সালে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) প্রতিষ্ঠা করে। এ সংস্থার উদ্দেশ্যে ছিল দেশের অভ্যন্তরীণ জনশক্তির চাহিদা পূরণসহ বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।  বিএমইটি বৈদেশিক কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে দেশের জনশক্তির যথাযথ ব্যবহার সংক্রান্ত কৌশল ও সামগ্রিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে।

বিএমইটির অধীনস্থ দপ্তরসমূহ:

  • ৪২টি জেলাকর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস
  • ৪টি বিভাগীয়কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস
  • ৪৭টি কারিগরিপ্রশিক্ষণ কেন্দ্র
  • ৪টি ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি
  • ৩টি শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণঅফিস

কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহে পরিচালিত প্রশিক্ষণসমূহ:

  • ৪ বছর মেয়াদী ২টি ডিপ্লোমা কোর্স
  • ২ বছর মেয়াদী ৪টি ট্রেড কোর্স
  • ২ বছর মেয়াদীএসএসসি (ভোকেশনাল) কোর্স
  • ১ বছর মেয়াদী স্কিল সার্টিফিকেট কোর্স
  • স্বল্পমেয়াদী (৬ মাস/ ৩ মাস) কোর্সসহ মোট ৪৮টি ট্রেড কোর্স পরিচালিতহচ্ছে
  • হংকংগামী নারী কর্মীদের ২ মাসব্যাপী আবাসিক প্রশিক্ষণ কোর্স
  • বিদেশগামী মহিলা গৃহকর্মীদের ২১ দিনের প্রশিক্ষণ কোর্স
  • দক্ষিণ কোরিয়াগামী কর্মীদের ৭ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্স
  • সৌদি আরবগামী কর্মীদের ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্স

 

প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ঃ

 

                     প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

 

                          প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ধীন দপ্তর সমূহঃ

 

   জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)

   প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক

   ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড

   বাংলাদেশ ওভারসীজ এমপ্লয়মেন্ট এন্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (BOESL)

 

বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশে কর্মসংস্থান শুধুমাত্র দেশের বেকারত্ব হ্রাসই করে না, একই সাথে বিদেশে কর্মরত প্রবাসীদের প্রেরণকৃত রেমিটেন্স দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজবির রহমানের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও কর্মী প্রেরণ বিষয়ে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশসমূহের সাথে সমঝোতা সৃষ্টি হয়। তারই ধারাবাহিকতায় সত্তর দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহে বাংলাদেশি কর্মী গমন শুরু হয়। বাংলাদেশ এ পর্যন্ত বিশ্বের ১৬০টি দেশে প্রায় ৯০ লক্ষ কর্মী প্রেরণ করেছে। বৈদেশিক কর্মসংস্থান ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করে বাংলাদেশ সরকার ২০০১ সালের ২০ ডিসেম্বর তারিখে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান নামে একটি পৃথক মন্ত্রণালয় স্থাপন করে। এ মন্ত্রণালয় গঠনের উদ্দেশ্য হলো প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সম্প্রসারণ। রেমিটেন্সের প্রবাহ বৃদ্ধি এবং দেশের সকল অঞ্চল হতে কর্মীদের বিদেশে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে সকল অভিবাসী কর্মীর কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। 

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ৭১-৭২, পুরাতন এলিফ্যান্ট রোড, ইস্কাটন গার্ডেন, ঢাকা-১০০০ এ অবস্থিত। এ মন্ত্রণালয় ৭টি অনুবিভাগ যথাক্রমে প্রশাসন, মিশন ও কল্যাণ, বৈদেশিক কর্মসংস্থানসংস্থা, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন, মনিটরিং ও এনফোর্সমেন্ট এবং প্রশিক্ষণ এর সমন্বয়ে গঠিত। সরকারের বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্পর্কিত নীতি, পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের জন্য অধিদপ্তর/সংস্থা/শ্রম উইং রয়েছে। মাননীয় মন্ত্রীর নেতৃত্বে ১ জন সচিব, ১ জন অতিরিক্ত সচিব, ৬ জন যুগ্মসচিব, ১২ জন উপসচিব, ১ জন উপপ্রধান, ১৬ জন সিনিয়র সহকারী সচিব/সহকারী সচিব, ২ জন সিনিয়র সহকারী প্রধান/সহকারী প্রধান কর্মরত আছেন। 

মন্ত্রণালয়েরকার্যাবলী:

 

 বৈদেশিককর্মসংস্থানেআগ্রহীবাংলাদেশেরনাগরিকদেরজন্যপ্রচলিতশ্রমবাজারটিকিয়েরাখাসহনতুনশ্রমবাজারসৃষ্টিরউদ্যোগগ্রহণ।

  • বৈদেশিকশ্রমবাজারেরচাহিদারসাথেসামঞ্জস্যপূর্ণট্রেডেপ্রশিক্ষণেরমাধ্যমেদক্ষজনবলসৃষ্টি।
  • আন্তর্জাতিকসংস্থাসমূহেরসাথেযোগাযোগওসমন্বয়সাধন।
  • এমন্ত্রণালয়সংশ্লিষ্টবিষয়েঅন্যান্যদেশওসংস্থারসাথেচুক্তিওসমঝোতাস্মারকস্বাক্ষরসম্পর্কিতবিষয়াদি।
  • মন্ত্রণালয়েরউপরঅর্পিতবিষয়সংশ্লিষ্টআইন, বিধিমালাওনীতিপ্রণয়ন/সংশোধন।
  • মন্ত্রণালয়েরসংশ্লিষ্টবিএমইটি, প্রবাসীকল্যাণব্যাংক, বোয়েসেলএবংওয়েজআর্নার্সকল্যাণতহবিলপরিচালনাকার্যক্রমপরিবীক্ষণ, মূল্যায়নএবংতত্ত্বাবধান।
  • বিদেশস্থবাংলাদেশমিশনেশ্রমউইং-এরকর্মকর্তা-কর্মচারীনিয়োগওতাদেরপ্রশাসনিকবিষয়াদিসম্পাদন।
  • রিক্রুটমেন্টএজেন্টসমূহেরনিবন্ধনওলাইসেন্সপ্রদানএবংতাদেরকার্যক্রমপরিবীক্ষণ।
  • বাংলাদেশেরঅর্থনৈতিকওসমাজকল্যাণমূলককর্মকান্ডেপ্রবাসীবাংলাদেশিদেরঅংশগ্রহণওবিনিয়োগেসহযোগিতাপ্রদান।
  • প্রবাসীবাংলাদেশিকর্মীদেররেমিটেন্সপ্রেরণেসহায়তাপ্রদান।
  • বিদেশেনিয়োগকৃতকর্মী, নিয়োগকারীদেশওপ্রাসঙ্গিকতথ্যাদিসংরক্ষণ।
  • অভিবাসীবাংলাদেশিদেরকল্যাণওঅধিকারনিশ্চিতকরণ।
  • প্রবাসীবাংলাদেশিদেরমধ্যেবাংলাদেশেরসংস্কৃতিচর্চায়পৃষ্ঠপোষকতা।
  • বৈদেশিককর্মসংস্থানব্যবস্থাপনায়স্বচ্ছতাওজবাবদিহিতানিশ্চিতকরণেরমাধ্যমেসুশাসনপ্রতিষ্ঠাকরা।
  •  

·         প্রবাসী কল্যাণ বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অনুবিভাগসমূহ এবং কার্যাবলী

 

     প্রশাসনঅর্থ অনুবিভাগ

·         মোঃ হজরত আলী, অতিরিক্ত সচিব

·         ফোনঃ +৮৮ ০২ ৯৩৪৫৬৭৮, ফ্যাক্সঃ +৮৮ ০২ ৯৩৩৬০৭৭, মোবাইলঃ ০১৮১৯২৬১৭৩৬,

·         ই-মেইলঃ hazratali1956@gmail.com

·         মিশন কল্যাণ অনুবিভাগ

·         মোহাম্মদ আজহারুল হক, যুগ্মসচিব

·         টেলিফোনঃ +৮৮ ০২ ৯৩৪৯১৫৩, মোবাইলঃ +৮৮ ০১৫৫ ২৩৯ ১০০৭

·         ই-মেইলঃ azharhuq@gmail.com

·         কর্মসংস্থান অনুবিভাগ

·         মোঃ নূরুল ইসলাম, যুগ্মসচিব

·         টেলিফোনঃ +৮৮ ০২ ৮৩১৬৯৪৫, মোবাইলঃ +৮৮ ০১৫৫২৪২২২৪৩

·         ই-মেইলঃ nurulislam1958@yahoo.com

·         সংস্থাসমূহের প্রশাসন অনুবিভাগ

·         সৈয়দা শাহানা বারী, যুগ্মসচিব

·         টেলিফোন: +৮৮ ০২ ৮৩১১৫৯০, মোবাইল: +৮৮ ০১৭১৭১৫০৮৫১

·          ই-মেইল: syeda_bari@yahoo.com

·         পরিকল্পনা উন্নয়ন অনুবিভাগ

·         মোঃ আব্দুর রউফ, যুগ্মসচিব

·         টেলিফোন: +৮৮ ০২ ৮৩১৭৫৫৬, মোবাইল: +৮৮ ০১৭১২২০৫১৫৫

·         ই-মেইল: md.rauf84@gmail.com  

·         মনিটরিং এবং এনফোর্সমেন্ট অনুবিভাগ

·         মোঃ আকরাম হোসেন, যুগ্মসচিব

·         টেলিফোন: +৮৮ ০২ ৯৩৪৯৮৩৭, মোবাইল: +৮৮ ০১৭১১৩৭৭৩৮৪

·          ই-মেইল: akram.hossain.bcs@gmail.com

·         প্রশিক্ষণ অনুবিভাগ

·         নারায়ন চন্দ্র বর্মা, যুগ্মসচিব

·         টেলিফোন: + ৮৮ ০২ , মোবাইল: ০১৭১২৫৫৬৭৯০

·          ই-মেইল: narayan_barma@yahoo.com

 

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক

 

 

বাংলাদেশের স্বাধীতার অব্যবহিত পরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে বিদেশে প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রবাসী কল্যাণ পরিদপ্তর প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সরকারী কার্যাবলী এবং উদ্যোগকে সম্প্রসারণ করেছিলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার লালিত ধারণা এবং আবেগে উৎসাহিত হয়ে অভিবাসীদেও সার্বিক কল্যাণের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক আইন-২০১০ এর মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকায় কলম্বো প্রসেস এর ৪র্থ সম্মেলন চলার সময় ২০১১ সালের ২০ শে এপ্রিল এই ব্যাংকের শুভ উদ্বোধন করেন।

প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠা লগ্ন হতে এ  পর্যন্ত ৫৬০০ বিদেশগামী কর্মীকে অভিবাসী ঋণ প্রদান করেছে। ব্যাংকটি মাত্র ০৩ দিনে অভিবাসন ঋণ মঞ্জুর করে থাকে এছাড়া বিদেশ ফেরত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মীকে পুনর্বাসন ঋণ প্রদানের মাধ্যমে কর্মসংস্থানে সহায়তা করেছে। অধিকাংশক্ষেত্রেই ব্যাংকের কর্মকর্তাগণ আবেদনকারীর বাড়িতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ঋণ প্রদানের সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন জেলায় ৩৯ টি শাখার মাধ্যমে এর কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। শীঘ্রই এই ব্যাংক দেশের বিভিন্ন জেলায় আরো ১১ টি শাখা খুলতে যাচ্ছে। আগামী ০১ বছরের মধ্যে দেশের সকল জেলায় ব্যাংকের শাখা খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের প্রধান শাখা প্রায় প্রতিদিন ২০০০ বিদেশ গমনেচ্ছুক কর্মীর কাছ হতে রেজিস্ট্রেশন ফি,স্মার্টকার্ড ফি এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ ফি সংগ্রহ করে থাকে। জানুয়ারি,২০১৪ সাল হতে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু করেছে।  বিদ্যমান ব্যাংকিং পদ্ধতি সহজলভ্য না হওয়ার কারণে প্রবাসী কর্মীগণ অবৈধ পন্থায় টাকা স্থানান্তর করে থাকেন। । যে জন্যে অভিবাসীদের দ্রুত,সঠিক এবং পেশাগত সেবা নিশ্চিত করতে  শক্তিশালী ওয়েবসাইট চালুকরণ এবং সুইফট (SWIFT) সংযোগ স্থাপন করা হচ্ছে। বিদেশগামী এবং প্রত্যাগত কর্মীদের সহায়তা দেয়ার জন্য দেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ০৩ টি হেল্প-ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। প্রবাসী কর্মীদের অভিযোগ,অনুযোগ গ্রহণ এং তার প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা  গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করণের লক্ষ্যে IOM (International Organization for Migration) এর সহায়তায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে একটি হেল্প-ডেস্ক  স্থাপন করা হয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বীয় উদ্যোগের মাধ্যমে প্রবাসীদের কল্যাণের লক্ষ্যে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা নিঃসন্দেহে একটি সাহসী পদক্ষেপ। প্রবাসীদের এবং পুরো জাতির জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এখন আশা এবং প্রত্যাশার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।